৬ বছর লিভ-ইন সম্পর্কে মোনালিসা : লোক ডিভোর্সি বাবার বয়সী

ভোজপুরী অভিনেত্রী মোনালিসা ৩৭-শে পা দিলেন। মোনালিসার আসল নাম অন্তরা বিশ্বাস। ইতিমধ্যেই ভোজপুরি ছবি ছাড়াও ১৩০ টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন মোনালিসা।

তবে মোনালিসা বা অন্তরা নয়, শরীরের হিল্লোল, চোখের ইশারায় দেওরদের রাতের ঘুম উড়াতে সিদ্ধহস্ত ঝুমা বৌদি। রূপোলি পর্দার মতোই ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও আলোচনায় রয়েছেন ঝুমা বৌদি।

কেরিয়ার শুরুতে বাবার বয়সী ডিভোর্সি লোকের সঙ্গে ৬ বছর রিলেশন ছিলেন মোনালিসা, কে সেই ব্যক্তি, জানলে অবাক হবেন।

বি-গ্রেড ছবিতে কাজ করা মোনালিসা ব্যক্তিগত কারণে শিরোনামে উঠে এসেছেন। কেরিয়ারের শুরুতে বাবার বয়সী ডিভোর্সী ব্যক্তির সঙ্গে টানা ৬ বছর লিভ-ইনে ছিলেন মোনালিসা।

সোশ্যাল মিডিয়াতেও মদনের সঙ্গে একাধিক বেশ কিছু ছবিও ভাইরাল হয়েছিল। সূত্র থেকে এও জানা গেছিল, মদনের সঙ্গেই কলকাতা থেকে মুম্বই এসেছিলেন মোনালিসা।

মুম্বইতে এসে কয়েকটি বি গ্রেড ছবিতে কাজ করার পরে ভোজপুরি সিনেমার দিকে ঝুঁকেছিলেন মোনালিসা। এবংই মদনই তাকে সাহায্য করেছিল।

মদনও ধীরে ধীরে মোনালিসাকে ভালবাসতে শুরু করেছিলেন। এবং মুম্বইতে থাকাকালীন লিভ-ইনে একটানা ৬ বছর তারা একসঙ্গে ছিলেন। লিভ-ইনে থাকাকালীন তারা কখনওই নিজেদের সম্পর্কের বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেনি। ৬ বছর একসঙ্গে থাকার পর তাদের সম্পর্ক শেষ হয়েছিল।

মদনের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হওয়ার পরই বিক্রান্ত সিং রাজপুতের সঙ্গে রিলেশনে জড়ান মোনালিসা। বিক্রান্তের সঙ্গে দীর্ঘদিন লিভ-ইনে থাকার পর তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

২০১৬ সালে বিয়ে সেরেছিলেন মোনালিসা ও বিক্রান্ত। সেখানে পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাও উপস্থিত ছিলেন।

শুধু ওয়েব সিরিজেই নয়, নিজের উষ্ণতাকে ধরে রাখতে নিয়মিত ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করেন তিনি। ঠাকুরপো-দের হৃদয়ে ঝড় তুলতে একাই একশো ঝুমা বৌদি।

হইচই এর জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘দুপুর ঠাকুরপো’ মানেই ঝুমা বৌদি। আর ঝুমা বৌদিকে চেনে না এমন দেওরের সংখ্যা প্রায় হাতে গোনা।

মোনালিসার স্বামী বিক্রান্ত সিংও একজন ভোজপুরী অভিনেতা। একসঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবিতেই তারা কাজ করেছেন।

About admin

Check Also

আমাকে হেনস্তার পর হাত বাড়ায় আমার মেয়ের দিকে : বাঁধন

দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী লাক্স তারকা আজমেরী হক বাঁধন। কাজ ছাড়া তেমন কোন আলোচনায় না থাকলেও …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *